- Get link
- X
- Other Apps
এটি একটি পরীক্ষিত সংস্করণ, যা ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে পরীক্ষিত হয়েছিল।
বেগম খালেদা জিয়া[ক] (১৫ আগস্ট ১৯৪৬ – ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫)[১][খ] ছিলেন একজন বাংলাদেশি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যিনি ১৯৯১-১৯৯৬ সাল এবং ২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বেনজির ভুট্টোর পর মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী।[৪][৫] তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারপারসন ও দলনেত্রী ছিলেন, যা তার স্বামী জিয়াউর রহমান কর্তৃক ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়
মৃত্যু | ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ (বয়স ৭৯) এভারকেয়ার হাসপাতাল ঢাকা, বাংলাদেশমজুমদার |
সমাধিস্থল | জিয়াউর রহমানের মাজার |
জাতীয়তা | বাংলাদেশী |
রাজনৈতিক দল | বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল |
অন্যান্য রাজনৈতিক দল | চার দলীয় জোট (১৯৯৯–২০১২) বিশ দলীয় জোট (২০১২–২০২২) |
দাম্পত্য সঙ্গী | জিয়াউর রহমান (বি. ১৯৬০; মৃ. ১৯৮১) |
সন্তান | তারেক রহমান আরাফাত রহমান |
মাতা | তৈয়বা মজুমদার |
পিতা | ইস্কান্দার |
আত্মীয়স্বজন | মজুমদার–জিয়া পরিবার দেখুন |
বাসস্থান | শহীদ মইনুল রোডের ৬ নম্বর বাড়ি ফিরোজা, গুলশান, ঢাকা |
স্বাক্ষর | |
১৯৭৭ সালে তার স্বামী রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর খালেদা জিয়া বাংলাদেশের ফার্স্ট লেডি হিসেবে জাতীয়ভাবে পরিচিত হন। ১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমান হত্যার শিকার হলে খালেদা রাজনীতিতে যোগ দেন এবং বিএনপির নেতৃত্বে আসেন। ১৯৮২ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের পর, তিনি গণতন্ত্রের জন্য চলমান আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে সাহায্য করেন। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিএনপি জয়ী হলে তিনি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। ১৯৯৬-এর স্বল্পস্থায়ী বিতর্কিত সরকারেও তিনি দায়িত্বপালন করেন, যেখানে অধিকাংশ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনটি বর্জন করেছিল। পরবর্তীকালে রাজনৈতিক দলগুলোর যুগপৎ আন্দোলনে তিনি ক্ষমতা ছেড়ে দিতে বাধ্য হন এবং পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করে। ২০০১ সালে তার দল পুনরায় ক্ষমতায় আসে এবং তিনি ২০০৬ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার মেয়াদকালে দুর্নীতির ধারণা সূচক অনুসারে (২০০১-২০০৫) বাংলাদেশ টানা পাঁচ বছর বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ ছিল।[৬] ফোর্বস সাময়িকীর বিশ্বের ১০০ ক্ষমতাবান নারী নেতৃত্বের তালিকায় ২০০৪ সালে খালেদা ১৪তম হন।[৭] ২০০৬ সালে তার সরকারের নির্ধারিত শাসনকাল শেষ হওয়ার পর, ২০০৭ সালে নির্ধারিত নির্বাচন রাজনৈতিক সহিংসতা ও অন্তর্দ্বন্দ্বের কারণে বিলম্বিত হলে, সেনাবাহিনী সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করে। সেই সরকারের সময়কালে, খালেদা জিয়া তার দুই সন্তান-সহ দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত হন।[৮][৯][১০] ২০১৮ সালে, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা এবং ২০১৮ সালে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় জিয়াকে মোট ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ২০১৯ সালের এপ্রিলে তাকে কারাগার থেকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ২০২০ সালের মার্চে মানবিক কারণে তাকে ছয় মাসের জন্য গৃহবন্দি করে মুক্তি দেয় শেখ হাসিনা সরকার এবং রাজনীতিতে কোনো ধরণের সম্পৃক্ততা নিষিদ্ধ করা হয়। পরবর্তীকালে, জুলাই বিপ্লবের পর বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাহী আদেশে খালেদার দণ্ড মওকুফ করে তাকে মুক্তি দেন।[১১][১২] ২৭ নভেম্বর ২০২৪, খালেদা দুর্নীতি মামলা থেকে খালাস পান।[১৩][১৪] কয়েক বছর ধরে নানা জটিল রোগে দীর্ঘ অসুস্থতার পর, খালেদা জিয়া ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান এবং পরদিন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর জানাজা, শেষকৃত্য ও দাফন সম্পন্ন হয়।[১৫] | পুতুল |
- Get link
- X
- Other Apps

Comments
Post a Comment